এই পৃষ্ঠাটি ইসলামি ইতিহাস এবং গ্রন্থগুলো পর্যালোচনা করে কোরআন ও হাদিসের অনেক সমস্যা খুঁজে বের করেছে।
মুহাম্মদ মৃত; যিশু জীবিত।
প্রমাণ:
চূড়ান্ত সমস্যা: মুহাম্মদ মদিনার একটি কবরে বিশ্রাম নিচ্ছেন। যিশু মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হয়েছেন এবং জীবিত। একজন জীবিত ত্রাণকর্তা উদ্ধার করতে পারেন; একজন মৃত নবী পারেন না। "অতএব যারা তাঁর মাধ্যমে ঈশ্বরের কাছে আসে, তিনি তাদের সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার করতে সক্ষম। কারণ তিনি তাদের জন্য মধ্যস্থতা করতে সর্বদা জীবিত থাকেন" (ইব্রীয় ৭:২৫)। খ্রিস্ট যদি পুনরুত্থিত না হতেন, তবে আমাদের বিশ্বাস নিরর্থক (১ করিন্থীয় ১৫:১৪)।
বাইবেল যদি পরিবর্তিত হয়ে থাকে, তবে কোরআন একটি বিকৃত বইকে নিশ্চিত করছে (৫:৪৭)।
প্রমাণ:
কোরআন খ্রিস্টানদের ইঞ্জিল অনুযায়ী বিচার করার আদেশ দেয়। যদি ৭ম শতাব্দীতে ইঞ্জিল পরিবর্তিত হয়ে থাকত, তবে ঈশ্বর তাদের একটি মিথ্যা বই অনুযায়ী বিচার করার নির্দেশ দিতেন। যদি তখন এটি বিকৃত না হয়ে থাকত, তবে এটি বর্তমান ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক (ত্রিত্ববাদ, ক্রুশবিদ্ধকরণ)।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৪-এ উল্লেখ আছে যে আয়েশা বলেছিলেন "রজম" বা পাথর নিক্ষেপ এবং "প্রাপ্তবয়স্কদের স্তন্যপান" সংক্রান্ত আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল এবং তার বিছানার নিচে রাখা ছিল। একটি ছাগল সেগুলো খেয়ে ফেলে।
প্রমাণ:
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৪ এবং মুসনাদে আহমদ ২৬৩৪৯-এর হাদিসগুলো বেশ স্পষ্ট। আয়েশা বর্ণনা করেছেন: "রজম এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্তন্যপান করানোর আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কাগজের টুকরোটি আমার বালিশের নিচে ছিল। যখন আল্লাহর রাসূল ইন্তেকাল করলেন এবং আমরা তার মৃত্যু নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তখন একটি ছাগল ঘরে ঢুকে সেটি খেয়ে ফেলে।"
এটি কোরআনের অপরিবর্তনীয়তার দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে। বাইবেলের প্রতিশ্রুতির সাথে তুলনা করুন: যিশাইয় ৪০:৮ "ঘাস শুকিয়ে যায়, ফুল ঝরে পড়ে, কিন্তু আমাদের ঈশ্বরের বাক্য চিরকাল স্থির থাকে।"
খলিফা উসমান কোরআনের সমস্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্করণ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন কারণ পাঠের ভিন্নতা বিবাদের সৃষ্টি করছিল।
প্রমাণ:
সহিহ বুখারি ৪৯৮৭ অনুযায়ী, হুজাইফা বিন আল-ইয়ামান উসমানকে অনুরোধ করেছিলেন: "এই জাতিকে রক্ষা করুন তারা কিতাব নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হওয়ার আগে।" উসমান একটি মানসম্মত সংস্করণ (কুরাইশ উপভাষা) বেছে নেন এবং ইবনে মাসউদ ও উবাই বিন কাবের অনুলিপি সহ বাকি সব পুড়িয়ে দেন। যদি সব সংস্করণ অভিন্ন হতো, তবে পোড়ানোর প্রয়োজন হতো না। এই রাজনৈতিক প্রমিতকরণ প্রাথমিক পাঠান্তরের প্রমাণ নষ্ট করে দিয়েছে।
প্রাথমিক জীবনীকাররা উল্লেখ করেছেন যে মুহাম্মদ মূর্তিপূজকদের দেবতার প্রশংসা করে আয়াত পাঠ করেছিলেন, পরবর্তীতে দাবি করেন যে শয়তান তাকে এগুলো শিখিয়েছিল।
প্রমাণ:
আল-তাবারী এবং ইবনে ইসহাকের মতে: মুহাম্মদ সূরা ৫৩ পাঠ করার সময় মূর্তিদের প্রশংসা করে আয়াত যোগ করেছিলেন ("তাদের সুপারিশ অত্যন্ত কাম্য")। পরে তিনি তা প্রত্যাহার করেন এবং দাবি করেন এটি শয়তানি হস্তক্ষেপ ছিল।
সূরা ২২:৫২-এ এর ইঙ্গিত পাওয়া যায় ("শয়তান তার আকাঙ্ক্ষায় কিছু প্রক্ষেপ করেছিল")। বাইবেলে ঈশ্বরের স্বভাবের সাথে তুলনা করুন: ১ যোহন ১:৫ ("ঈশ্বর আলো এবং তাঁর মধ্যে বিন্দুমাত্র অন্ধকার নেই")।
উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছিলেন যে পাথর মারার আয়াতটি আল্লাহর কিতাবে ছিল, কিন্তু আজ এটি পাঠ্যে নেই।
প্রমাণ:
সহিহ বুখারি ৬৮৩০-এ উমর খুতবা দিয়েছিলেন: "...আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছিলেন তার মধ্যে রজমের আয়াতটিও ছিল... আমরা তা পাঠ করতাম... আমি ভয় পাই... মানুষ বলবে 'আমরা আল্লাহর কিতাবে রজমের আয়াত খুঁজে পাচ্ছি না'।"
ঈশ্বরের অবতীর্ণ আয়াতটি হারিয়ে গেছে, অথচ এর আইন (রজম) এখনও বলবৎ। এটি একটি স্পষ্ট পাঠ্যগত বিচ্যুতি।
সূরা ২:১০৬ অনুসারে আল্লাহ কোনো আয়াত রহিত করতে পারেন। শান্তির আয়াতগুলো যুদ্ধের আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে।
প্রমাণ:
সূরা ২:১০৬ একটি "উন্নততর" আয়াত দিয়ে পুরনোটি প্রতিস্থাপনের সুযোগ দেয়। "তরবারির আয়াত" (৯:৫) মক্কার প্রায় ১০০টি শান্তির আয়াত রহিত করেছে। ঈশ্বর কেন তাঁর শাশ্বত আদেশ পরিবর্তন করবেন? এটি প্রশ্ন উত্থাপন করে।
সূরা ৩৩:৫৬-এ বলা হয়েছে যে 'আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতারা নবীর ওপর সালাত (প্রার্থনা) পাঠ করেন'।
প্রমাণ:
ঈশ্বর যদি নিজের নামে শপথ করেন, তবে তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতির নিশ্চয়তা দিচ্ছেন। কিন্তু ঈশ্বর কারো ওপর ভিত্তি করে শপথ করতে পারেন না কারণ তাঁর উপরে কেউ নেই। বাইবেল বলে ঈশ্বর নিজের নামেই শপথ করেছিলেন: "যেহেতু তাঁর মহান আর কেউ নেই, তাই তিনি নিজের নামেই শপথ করলেন" (ইব্রীয় ৬:১৩)। কোরআনের অনেক শপথ (যেমন ডুমুর, জাইতুন, নক্ষত্র) ঈশ্বরের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সহিহ বুখারি ৫৭৬৩ অনুযায়ী, মুহাম্মদ জাদুর কবলে পড়েছিলেন।
প্রমাণ:
আয়েশা বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদের ওপর জাদু করা হয়েছিল যাতে তিনি কল্পনা করতেন যে তিনি এমন কিছু করেছেন যা তিনি করেননি। যদি একজন নবী শয়তানি জাদু দ্বারা প্রভাবিত হতে পারেন, তবে আমরা কীভাবে বিশ্বাস করতে পারি যে তাঁর ওহীও প্রভাবিত হয়নি? যিশুর সাথে তুলনা করুন যিনি ভূতদের তাড়িয়ে দিতেন এবং কখনও তাদের অধীনে ছিলেন না (লূক ১১:২০)।
আল্লাহ ভুলে যান কি না তা নিয়ে কোরআনে পরস্পরবিরোধী আয়াত রয়েছে।
প্রমাণ:
সূরা ৯:৬৭ বলছে: "তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, তাই আল্লাহও তাদের ভুলে গেছেন।" অথচ সূরা ২০:৫২ বলছে: "আমার পালনকর্তা ভুল করেন না এবং বিস্মৃতও হন না।" ভুলে যাওয়া একটি সীমাবদ্ধতা। বাইবেল ঈশ্বরকে অপরিবর্তনীয় হিসেবে বর্ণনা করে (মালাখি ৩:৬: "আমি সদাপ্রভু, আমার কোনো পরিবর্তন নেই")।
সূরা ৩:৫৪-এ আল্লাহকে 'খাইরুল মাকিরিন' (শ্রেষ্ঠ প্রতারক/কৌশলী) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রমাণ:
কোরআন (২:১০৬, ১৬:১০১) বলে যে ঈশ্বর ভালো আয়াত আনার জন্য আগেরগুলো বাতিল করেন। এটি কি সত্যের মানদণ্ডকে দুর্বল করে না? বাইবেল বলে: "ঈশ্বর মিথ্যা বলতে পারেন না" (তীত ১:২)।
মুহাম্মদ জানতেন না তাঁর ভাগ্যে কী ঘটবে (সূরা ৪৬:৯)।
প্রমাণ:
শয়তান যদি কারো কানে সরাসরি কুমন্ত্রণা দিতে পারে, তবে সেই ব্যক্তির থেকে পাওয়া ওহী প্রশ্নবিদ্ধ। বাইবেল বলে: "তোমরা জানবে যে তোমাদের অনন্ত জীবন আছে" (১ যোহন ৫:১৩)। খ্রিস্টানরা শয়তানের ভয়ে নয় বরং ঈশ্বরের ভালোবাসার নিরাপত্তায় বাস করে।
সূরা ৪৭:১৯-এ মুহাম্মদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: 'তোমার ত্রুটির (পাপের) জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো'।
প্রমাণ:
এই কাহিনীটি কেবল অদ্ভুতই নয় বরং অনৈতিক ও অপ্রাসঙ্গিক। বিপরীতে, যিশু ছিলেন নিষ্পাপ: ২ করিন্থীয় ৫:২১।
মুহাম্মদ আয়েশাকে ৬ বছর বয়সে বিয়ে করেন এবং ৯ বছর বয়সে তাঁর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন (বুখারি ৫১৩৩)।
প্রমাণ:
৬ বছরের শিশুকে বিয়ে করা সর্বজনীন নৈতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ভুল। যদি নবী চূড়ান্ত আদর্শ হন, তবে এই কাজ সারা বিশ্বের ইসলামি সংস্কৃতিতে বাল্যবিবাহকে বৈধতা দেয়।
সূরা ৩৩:৩৭-এ মুহাম্মদের তাঁর পালকপুত্রের প্রাক্তন স্ত্রীর সাথে বিবাহকে সমর্থন করা হয়েছে।
প্রমাণ:
পালকপুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করার সামাজিক ট্যাব ভাঙার জন্য এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল ঠিক তখনই যখন মুহাম্মদ জয়নাবের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। এটি নবীর ব্যক্তিগত স্বার্থে আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার প্রমাণ দেয়।
সূরা ১৮:৫০ বলছে ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অথচ সূরা ২:৩৪ ইঙ্গিত দেয় সে ছিল ফেরেশতাদের মধ্যে একজন।
প্রমাণ:
ইবলিসের উৎস সম্পর্কে পরস্পরবিরোধী তথ্য। সে যদি ফেরেশতা হতো (যাদের ইসলামে স্বাধীন ইচ্ছা নেই), তবে সে অবাধ্য হতে পারত না। আর জিন হলে কেন তাকে ফেরেশতাদের জন্য দেওয়া আদেশের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল?
মুহাম্মদ বলেছিলেন: 'যে তার ধর্ম পরিবর্তন করে, তাকে হত্যা করো' (বুখারি ৬৯২২)।
প্রমাণ:
এটি "ধর্মে কোনো জবরদস্তি নেই" দাবির সাথে সাংঘর্ষিক। যে ধর্ম সদস্যদের ধরে রাখতে মৃত্যুর হুমকি ব্যবহার করে, তার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে। যিশু কখনোই কাউকে তাঁকে অনুসরণ করতে বাধ্য করেননি।
কোরআন দাবি করে এতে "কোনো বক্রতা নেই" (৩৯:২৮), কিন্তু এতে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে।
প্রমাণ:
সুস্পষ্টতার দাবিটি রহিত আয়াত (নাসখ), অস্পষ্ট আয়াত (মুতাশাবিহাত) এবং হাজার হাজার পরস্পরবিরোধী তাফসিরের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ।
সূরা ২:২২৩-এ নারীকে পুরুষের "শস্যক্ষেত্র" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
প্রমাণ:
এই উপমাটি নারীকে কেবল একটি বস্তু এবং পুরুষের প্রজনন/আনন্দের সরঞ্জাম হিসেবে সংকুচিত করে। খ্রিস্টধর্মে স্বামী ও স্ত্রী অনুগ্রহের সহ-উত্তরাধিকারী (১ পিতর ৩:৭)।
সূরা ৪:৩৪ অগত্যা অবাধ্য স্ত্রীকে প্রহার করার অনুমতি দেয়।
প্রমাণ:
নারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতনের আইন কোনো সভ্য সমাজের উপযোগী নয়। খ্রিস্টধর্মের শিক্ষা হলো: "হে স্বামীরা, তোমরা তোমাদের স্ত্রীকে প্রেম করো, যেমন খ্রিস্ট মণ্ডলীকে প্রেম করলেন" (ইফিষীয় ৫:২৫)।
সূরা ২:২৮২ অনুসারে এক ব্যক্তির সাক্ষ্য দুই নারীর সমান।
প্রমাণ:
এই আইনটি নারীর বুদ্ধিমত্তার হীনম্মন্যতার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ঈশ্বরের কাছে উভয়ের আত্মা সমান। বাইবেলে নারীরাই ছিলেন খ্রিস্টের পুনরুত্থানের প্রথম সাক্ষী।
নারীর উত্তরাধিকার পুরুষের অর্ধেক (৪:১১)।
প্রমাণ:
উত্তরাধিকারের এই অবিচার ঐশ্বরিক ন্যায়বিচারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, বিশেষ করে আধুনিক বিশ্বে যেখানে নারীরও আর্থিক দায়িত্ব রয়েছে।
কোরআন দাসীদের সাথে যৌন সম্পর্কের অনুমতি দেয় (৪:২৪)।
প্রমাণ:
ইসলাম দাস প্রথা বিলুপ্ত করেনি বরং একে বৈধতা দিয়েছে। যুদ্ধবন্দী নারীদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা ঈশ্বরের পবিত্রতার সাথে সাংঘর্ষিক।
পুরুষ ৪ জন পর্যন্ত স্ত্রী রাখতে পারে (৪:৩)।
প্রমাণ:
ঈশ্বরের আদি পরিকল্পনা ছিল এক পুরুষ ও এক নারী (আদম ও হাওয়া)। বহুবিবাহ হিংসা, পারিবারিক বিভেদ সৃষ্টি করে এবং নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে।
কোরআনে জান্নাতের বর্ণনা বস্তুগত এবং যৌন সুখকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।
প্রমাণ:
যিশুর মতে পুনরুত্থানের পর বিবাহ বা যৌনতার কোনো অস্তিত্ব নেই। "পুনরুত্থানে তারা বিয়ে করে না এবং বিয়েও দেওয়া হয় না, বরং তারা স্বর্গের দূতদের মতো হয়" (মথি ২২:৩০)। কোরআনের হুর ও পালঙ্কের বর্ণনা এই উচ্চ আধ্যাত্মিকতার পরিবর্তে শারীরিক লালসারই প্রতিফলন।
কিছু আয়াত পৃথিবীকে কার্পেট বা বিছানার মতো বর্ণনা করে (৮৮:২০, ৭১:১৯)।
প্রমাণ:
"সুতিহাত" (বিছানো) এবং "বিসাতা" (কার্পেট)-র মতো শব্দগুলো প্রাচীন সমতল পৃথিবীর ধারণাকে প্রতিফলিত করে। এই বৈজ্ঞানিক ভুল মানুষের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে।
সূরা ৭৮:৭ বলছে পাহাড়গুলো "পেরেক" স্বরূপ যাতে পৃথিবী কেঁপে না ওঠে।
প্রমাণ:
বৈজ্ঞানিকভাবে পাহাড়গুলো টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে গঠিত হয় এবং তা ভূমিকম্প রোধ করে না। প্রকৃতপক্ষে, পাহাড়ি অঞ্চলগুলো প্রায়ই ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু হয়।
আল্লাহর কাছে একদিন কত সমান? ১,০০০ বছর (৩২:৫) নাকি ৫০,০০০ বছর (৭০:৪)?
প্রমাণ:
সংখ্যার এই বিশাল পার্থক্য টেক্সটের মধ্যে গাণিতিক অসংগতি প্রদর্শন করে।
সূরা ৮৬:৬-৭ বলছে বীর্য মেরুদণ্ড ও বক্ষপিঞ্জরের মাঝখান থেকে নির্গত হয়।
প্রমাণ:
চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে শুক্রাণু অণ্ডকোষে উৎপন্ন হয়, বুক বা পিঠে নয়। এটি কোরআনের একটি মারাত্মক শারীরস্থানিক ভুল।
সূরা ১৮:৮৬ বলছে জুলকারনাইন সূর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে (কাদায়) ডুবতে দেখেছিলেন।
প্রমাণ:
সূর্য পৃথিবীর চেয়ে অনেক বড় এবং কোনো জলাশয়ে ডোবা অসম্ভব। এই বর্ণনাটি তৎকালীন লোককথার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়।
সূরা ৬৭:৫ বলছে নক্ষত্রগুলো শয়তানদের বিতাড়িত করার জন্য নিক্ষেপের সরঞ্জাম।
প্রমাণ:
জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রমাণ করে নক্ষত্রগুলো অনেক দূরে অবস্থিত বিশাল গ্যাসীয় পিণ্ড, যা শয়তানের দিকে নিক্ষেপ করার মতো ছোট কোনো বস্তু নয়। কোরআন উল্কাকে নক্ষত্র বলে ভুল করেছে।
সূরা ২২:৬৫ বলছে আল্লাহ আকাশকে ধরে রেখেছেন যাতে তা পৃথিবীর ওপর পড়ে না যায়।
প্রমাণ:
আকাশ কোনো ভৌত ছাদ নয় যা "পড়ে যেতে" পারে। এটি প্রাচীন মহাজাগতিক ধারণার প্রতিফলন ঘটিয়ে তৈরি যা বর্তমান বিজ্ঞানে ভুল প্রমাণিত।
সূরা ১৬:৬৬ বলছে দুধ গোবর (বিষ্ঠা) ও রক্তের মাঝখান থেকে বের হয়।
প্রমাণ:
দুধ স্তনগ্রন্থিতে উৎপন্ন হয় রক্তের পুষ্টি উপাদান থেকে। এই প্রক্রিয়াটি শরীরের মলত্যাগের পথের মধ্য দিয়ে যায় না বা তার সংস্পর্শে আসে না।
হাদিস অনুযায়ী, বজ্রধ্বনি হলো একজন ফেরেশতা যিনি মেঘ তাড়িয়ে নিয়ে যান (তিরমিজি ৩১১৭)।
প্রমাণ:
বিজ্ঞান প্রমাণ করে বজ্রধ্বনি হলো বিজলি চমকানোর ফলে তৈরি হওয়া একটি শব্দ তরঙ্গ, কোনো ফেরেশতার শব্দ বা তার চাবুকের আঘাত নয়।
সূরা ২৭:১৮-এ সুলাইমান ও তাঁর বাহিনীকে চিনতে পারা এবং অন্য পিঁপড়াদের সাথে কথা বলা এক পিঁপড়ার কাহিনী বর্ণিত আছে।
প্রমাণ:
এই গল্পটি কোনো জৈবিক বা ঐতিহাসিক বাস্তবতার চেয়ে রূপকথা বা উপকথার মতো বেশি মনে হয়।
সূরা ১০৫-এ আবাবিল পাখি দ্বারা পাথর (সিজ্জিল) নিক্ষেপ করে হস্তীবাহিনী ধ্বংস করার কথা বলা হয়েছে।
প্রমাণ:
পাখি দ্বারা পরিচালিত এত বড় কোনো সামরিক অভিযানের কোনো বহিরাগত ঐতিহাসিক নথিপত্র পাওয়া যায় না।
সূরা ৫৪:১ দাবি করে যে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।
প্রমাণ:
যদি মহাজাগতিক গতির এমন কোনো বিশাল ঘটনা ঘটত, তবে তৎকালীন বিশ্বের সমস্ত সভ্যতা (চীন, ভারত, রোম) তা লিপিবদ্ধ করত। এই দাবির কোনো ভৌত বা ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই।
অনেক তাফসিরকারক জুলকারনাইনকে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সাথে তুলনা করেন, অথচ আলেকজান্ডার ছিলেন একজন মূর্তিপূজক।
প্রমাণ:
কোরআন জুলকারনাইনকে একজন ধার্মিক একেশ্বরবাদী বান্দা হিসেবে বর্ণনা করে। যদি তিনি আলেকজান্ডার হন, তবে ইতিহাস প্রমাণ করে তিনি ছিলেন পৌত্তলিক। এটি একটি বড় ঐতিহাসিক ভুল।
সূরা ১৯:২৮-এ মরিয়মকে (যিশুর মা) "হারুনের বোন" বলে সম্বোধন করা হয়েছে।
প্রমাণ:
যিশুর মা মরিয়ম এবং মুসার ভাই হারুনের মধ্যে প্রায় ১,৫০০ বছরের ব্যবধান। কোরআন সম্ভবত যিশুর মা মরিয়মকে আর মুসার বোন মিরিয়ামের সাথে গুলিয়ে ফেলেছে।
সূরা ২৮:৩৮-এ হামানকে মিশরে ফিরাউনের মন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রমাণ:
বাইবেল অনুযায়ী, হামান ছিলেন পারস্যের রাজা ক্ষয়র্ষের (আহাশবেরোশ) মন্ত্রী (ইষ্টের পুস্তক), যা মুসার ফিরাউনের প্রায় ১,০০০ বছর পরের ঘটনা। কোরআন স্থান ও কাল ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে।
সূরা ২৮:৩৮ বলছে ফিরাউন হামানকে একটি উঁচু টাওয়ার তৈরির আদেশ দিয়েছিলেন যাতে তিনি মুসার ঈশ্বরের কাছে পৌঁছাতে পারেন।
প্রমাণ:
এই কাহিনীটি বাবেল টাওয়ারের গল্প এবং মিশরের ইতিহাসের একটি অদ্ভুত সংমিশ্রণ বলে মনে হয়। মিশরের ইতিহাসে এমন কোনো প্রকল্পের প্রমাণ নেই।
সূরা ২০:৮৫-৮৮ বলছে এক "সামেরী" মুসার সময়ে বনী ইসরাইলদের বিভ্রান্ত করেছিল।
প্রমাণ:
সামারিয়া শহর এবং সামরি সম্প্রদায় মুসার সময়ের শত শত বছর পরে সৃষ্টি হয়েছে। মুসার সময়ে তাদের উপস্থিতি এক সুস্পষ্ট কালানুক্রমিক ভুল।
সূরা ৫:৩২ (যে ব্যক্তি একজনকে হত্যা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকে হত্যা করল) সরাসরি মিশনা (ইহুদি তালমুদ) থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রমাণ:
তালমুদে এই বাক্যটি একটি মানবিক আইনের ব্যাখ্যা ছিল, কোনো সরাসরি ঐশ্বরিক বাণী নয়। কোরআন ইহুদিদের মানবিক ঐতিহ্যকে ঐশ্বরিক ওহী হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
সূরা ৫:৩১ বলছে একটি কাক কাবিলকে শিখিয়েছিল কীভাবে তার ভাইকে কবর দিতে হয়।
প্রমাণ:
এই গল্পটিও ইহুদি অপ্রামাণিক উৎস (Pirke De-Rabbi Eliezer)-এ পাওয়া যায় এবং এটি একটি কিংবদন্তি, কোনো ঐতিহাসিক সত্য নয়।
মুসা এবং এক ধার্মিক বান্দার (খিজির) কাহিনী সূরা ১৮:৬০-৮২-তে রয়েছে।
প্রমাণ:
এই কাহিনীটির সাথে গিলগামেশ মহাকাব্য এবং আলেকজান্ডার রোমান্স কিংবদন্তির অদ্ভুত মিল রয়েছে। ভবিষ্যৎ পাপের ভয়ে একজন কিশোরকে হত্যা করা ঈশ্বরের সুবিচারের সাথে সাংঘর্ষিক।
মক্কায় শান্তিপূর্ণ মনোভাব থেকে মদিনায় যুদ্ধের মনোভাবে পরিবর্তন।
প্রমাণ:
মুহাম্মদ যখন দুর্বল ছিলেন, তখন তাঁর আয়াতগুলো ছিল শান্তির। যখন তিনি ক্ষমতায় এলেন, তখন যুদ্ধের আয়াত (যেমন সূরা ৯) অবতীর্ণ হয়। এটি দেখায় যে "ওহী" রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির সাথে পরিবর্তিত হচ্ছিল।
সূরা ৯:২৯ আহলে কিতাবদের বিরুদ্ধে লড়াই করার নির্দেশ দেয় যতক্ষণ না তারা অপদস্থ হয়ে জিজিয়া কর প্রদান করে।
প্রমাণ:
এই আয়াতটি ধর্মীয় বৈষম্যের একটি ব্যবস্থা তৈরি করে। এক দয়াময় ঈশ্বর অন্য ধর্মের অনুসারীদের অপমান করার এবং বেঁচে থাকার জন্য কর দিতে বাধ্য করার কথা বলতে পারেন না।
ইসলাম কেবল প্রচারের মাধ্যমে নয়, সামরিক অভিযানের মাধ্যমেও বিস্তৃতি লাভ করেছে।
প্রমাণ:
ঈশ্বর যদি কোরআন অবতীর্ণ করে থাকেন, তবে কেন তিনি নিজেকে অন্ধকার, ষড়যন্ত্রকারী এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী হিসেবে বর্ণনা করবেন? বাইবেলের ঈশ্বরের সাথে তুলনা করুন: "ঈশ্বর আলো, তাঁর মধ্যে অন্ধকার নেই" (১ যোহন ১:৫)।
মুহাম্মদ নির্দেশ দিয়েছিলেন ইহুদি ও খ্রিস্টানদের আগে সালাম না দিতে (মুসলিম ২১৬৭)।
প্রমাণ:
এই নির্দেশটি মানবীয় শিষ্টাচার এবং যিশুর শেখানো "তোমার প্রতিবেশীকে ভালোবাসো" শিক্ষার পরিপন্থী।
সূরা আল-কাহাফ খ্রিস্টান কিংবদন্তি "সাতজন ঘুমন্ত যুবক" (Seven Sleepers of Ephesus)-এর কাহিনী বর্ণনা করে।
প্রমাণ:
৩০০ বছর গুহায় ঘুমিয়ে থাকার এই গল্পটি একটি ৫ম শতাব্দীর খ্রিস্টান কিংবদন্তি। কোরআন একে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে গ্রহণ করেছে এমনকি তাদের সংখ্যা নিয়েও বিতর্ক করেছে।
কিছু হাদিসে জাহান্নামে কনকনে ঠান্ডা শাস্তি (জমহারীর)-র কথা উল্লেখ আছে।
প্রমাণ:
জাহান্নামকে কেবল আগুনের সমুদ্র হিসেবে বর্ণনার বিপরীতে ঠান্ডার এই ধারণাটি বিভিন্ন স্থানীয় ঐতিহ্যের প্রভাব বলে মনে হয়।
সূরা ৩৫:১ বলছে ফেরেশতাদের ২, ৩ বা ৪টি করে ডানা আছে।
প্রমাণ:
ফেরেশতারা আধ্যাত্মিক সত্তা, পাখি বা জৈবিক ডানাওয়ালা প্রাণী নয়। এই ভৌত বর্ণনাটি ঐশ্বরিক মহিমাকে পার্থিব মাপকাঠিতে কল্পনা করার চেষ্টা বলে মনে হয়।
হাদিসে আছে শয়তান বাম হাত দিয়ে পানাহার করে (মুসলিম ২০২০)।
প্রমাণ:
আধ্যাত্মিক সত্তার (শয়তান) পানাহারের মতো কোনো জৈবিক প্রয়োজন নেই। এটি অতিমাত্রায় নৃত্বারোপ (মানুষের স্বভাব আত্মার ওপর চাপানো)।
সূরা ২৩:১৪-এ আল্লাহকে "শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রমাণ:
"শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা" পদটি ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহ ছাড়াও অন্য স্রষ্টা থাকার সম্ভাবনা ফুটে ওঠে। আল্লাহ যদি একমাত্র স্রষ্টা (খালেক) হন, তবে এই তুলনাটি অযৌক্তিক।
সূরা ১৯:১৭ বলছে একজন ফেরেশতা (রূহ), অথচ ৩:৪২ বলছে একদল ফেরেশতা (মালাইকাহ)।
প্রমাণ:
যিশুর জন্মের বার্তা দিতে মরিয়মের কাছে কতজন ফেরেশতা এসেছিলেন তা নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈপরীত্য।
সূরা ৬:৩৪ বলছে আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করার কেউ নেই, অথচ রহিতকরণ (নাসখ) এর অস্তিত্ব প্রমাণ করে তা পরিবর্তন হতে পারে।
প্রমাণ:
যদি তাঁর বাণী পরিবর্তন করার কেউ না থাকে, তবে রহিতকরণের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। এটি ঈশ্বরের বাণীর শাশ্বত স্বভাব নিয়ে একটি মৌলিক বৈপরীত্য।
সূরা ৭:৫৪ বলছে ৬ দিন। সূরা ৪১:৯-১২ এর বর্ণনা যোগ করলে তা ৮ দিন হয়।
প্রমাণ:
মহাবিশ্ব সৃষ্টির দিনের সংখ্যা গণনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূরার মধ্যে গাণিতিক বৈষম্য।
কোরআনে বিভিন্ন উপাদানের কথা বলা আছে: মাটি (৩:৫৯), জল (২৫:৫৪), জমাট রক্ত (৯৬:২), পোড়ামাটি (১৫:২৬)।
প্রমাণ:
যদিও একে বিভিন্ন পর্যায় হিসেবে ধরা হয়, তবুও মানুষের উৎস বর্ণনায় পরিভাষার অসংগতি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
আল্লাহর বার্তা কি ফেরেশতার মাধ্যমে (২:১৯৩) নাকি মানুষের মাধ্যমে (১৬:২) পৌঁছায়?
প্রমাণ:
মানুষের কাছে ওহী পৌঁছানোর মাধ্যম সম্পর্কে অস্পষ্টতা।
সূরা ২:৬২ বলছে তারা মুক্তি পাবে, অথচ ৩:৮৫ বলছে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে (গ্রহণযোগ্য হবে না)।
প্রমাণ:
ইসলামের বাইরের অনুসারীদের (আহলে কিতাব) পরিত্রাণ নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য।
প্রার্থনা বা সালাত আদায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ কোরআনে নেই, কেবল হাদিসে আছে।
প্রমাণ:
কোরআন যদি একটি পূর্ণাঙ্গ কিতাব হয় (৬:৩৮), তবে ইসলামের সবচেয়ে মৌলিক স্তম্ভ (সালাত)-এর বিস্তারিত বিবরণের জন্য কেন শত শত বছর পরের মানবিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে?
সূরা ১৪:৪ বলছে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন। সূরা ৪:৭৯ বলছে মন্দ মানুষের নিজের পক্ষ থেকে আসে।
প্রমাণ:
নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে বৈপরীত্য। যদি আল্লাহই পথভ্রষ্ট করেন, তবে মানুষকে দোষী করা যায় না।
মুহাম্মদ বলেছিলেন পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে পুরোটা ডুবিয়ে দাও, কারণ এক ডানায় বিষ আর অন্য ডানায় তার প্রতিকার আছে (বুখারি ৫৭৮২)।
প্রমাণ:
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে মাছির সারা শরীরে বিপজ্জনক জীবাণু থাকে। মাছির ডানায় ওষুধ থাকা একটি অবৈজ্ঞানিক প্রাচীন অন্ধবিশ্বাস।
মুহাম্মদ বলেছিলেন যে ব্যক্তি ফজর সালাত না পড়ে ঘুমান, শয়তান তাঁর কানে প্রস্রাব করে (বুখারি ৩২৭০)।
প্রমাণ:
এটি একটি কুসংস্কার যা আধ্যাত্মিক সত্তার ধারণাকে অত্যন্ত স্থূল ও বস্তুগত করে তোলে।
হাদিসে আছে সূর্য প্রতিদিন অস্ত যাওয়ার সময় আল্লাহর আরশের নিচে গিয়ে সিজদাহ করে (বুখারি ৩১৯৯)।
প্রমাণ:
সূর্য রাতে কোথাও "যায় না"; এটি কেবল পৃথিবীর অন্য প্রান্তকে আলোকিত করে। মুহাম্মদ-এর জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত জ্ঞান ছিল অত্যন্ত আদিম।
বুখারি ২৭৮-এ বর্ণিত আছে মুসা গোসল করার সময় একটি পাথর তাঁর কাপড় নিয়ে পালিয়ে যায় এবং মুসা উলঙ্গ অবস্থায় তার পিছু নেন।
প্রমাণ:
এই গল্পটি কেবল অদ্ভুতই নয়, একজন মহান নবীর জন্য মর্যাদাহানিকরও বটে। বাইবেল এমন কোনো অলীক কাহিনী ছাড়াই মুসাকে সম্মান করে।
মুহাম্মদ যদি শেষ নবী হন, তবে যিশুকে কেন শেষ জামানায় ফিরে আসতে হবে?
প্রমাণ:
যিশুর (ঈসা মসিহ) পুনরাগমন প্রমাণ করে যে তাঁর মিশন এখনও শেষ হয়নি অথবা তাঁর মর্যাদা মুহাম্মদের চেয়েও বেশি যিনি আর ফিরে আসবেন না।
সূরা ১৮:২৩-২৪-এ মুহাম্মদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে "আল্লাহ ইচ্ছা করলে" (ইনশাআল্লাহ) না বলে কোনো কাজ করার কথা না বলতে।
প্রমাণ:
এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল যখন মুহাম্মদ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যর্থ হন এই ভেবে যে ঈশ্বরের অনুমতি ছাড়াই ওহী শীঘ্রই আসবে। এটি তাঁর মনস্তাত্ত্বিক নির্ভরশীলতা প্রকাশ করে।
মুহাম্মদের "ওহী" প্রায়শই তাঁর ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা তাঁর চারপাশের মানুষের (যেমন উমর) দাবির সাথে মিলে যেত।
প্রমাণ:
আয়েশা একবার বলেছিলেন: "আমি দেখি আপনার পালনকর্তা আপনার ইচ্ছা পূরণের জন্য কত দ্রুত আয়াত নাযিল করেন" (বুখারি ৪৭৮৮)। এই সব মিল ওহীর উৎস সম্পর্কে সন্দেহ জাগিয়ে তোলে।
বর্তমান কোরআনে পাথর মারার কোনো বিধান নেই, কেবল বেত্রাঘাত (২৪:২)। অথচ হাদিস পাথর মারার ওপর জেদ ধরে থাকে।
প্রমাণ:
পরিপূর্ণ দাবি করা কিতাব এবং মুসলিমদের দ্বারা পালিত নবীর সুন্নাহ বা ঐতিহ্যের মধ্যে আইনের বৈপরীত্য।
হাদিসে প্রাণীর ছবি আঁকায় কঠোর নিষেধ আছে এবং বলা হয়েছে চিত্রকরগণ শাস্তির সম্মুখীন হবেন (বুখারি ৫৯৫০)।
প্রমাণ:
শিল্পের মাধ্যমে শিরক বা মূর্তিপূজার অতিরিক্ত ভয় মানুষের সৃজনশীলতা এবং সুস্থ চাক্ষুষ সংস্কৃতির বিকাশকে ব্যাহত করে।
অনেক হাদিসে বাদ্যযন্ত্র এবং গান গাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রমাণ:
সঙ্গীত হলো আত্মার এক সর্বজনীন ভাষা। সুন্দর শিল্পকলাকে নিষিদ্ধ করা মানুষের চিরন্তন সৌন্দর্যবোধকে দমন করারই নামান্তর।
হাদিসে কালো কুকুর হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কারণ তা হলো শয়তান (মুসলিম ৫১০)।
প্রমাণ:
কালো কুকুর কেবল একটি সাধারণ জেনেটিক রঙের বৈচিত্র্য। একে শয়তানের সাথে জড়ানো প্রাণীদের প্রতি এক নিষ্ঠুর অন্ধবিশ্বাস।
মুসলিম ২১১৪-এ ঘণ্টা ফেলে দেওয়ার নির্দেশ আছে কারণ ফেরেশতারা ঘণ্টা থাকা কাফেলার সাথে থাকেন না।
প্রমাণ:
ঘণ্টার শব্দের প্রতি এই ভয় সম্ভবত খ্রিস্টান ঐতিহ্যের (চার্চের ঘণ্টা) প্রতি বিরাগের ফল, কোনো জোরালো আধ্যাত্মিক কারণ নয়।
এমন কিছু হাদিস আছে যা মানুষের দৈহিক অবয়বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র খুঁটিনাটি শাসন করে।
প্রমাণ:
শারীরিক উপস্থিতির প্রতি অতিমাত্রায় আচ্ছন্ন ধর্ম আধ্যাত্মিকতার চেয়ে আইনি কাঠামোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
শুরুতে জেরুজালেম অভিমুখী থাকলেও পরে মক্কার দিকে পরিবর্তিত হয় কারণ মুহাম্মদ তাঁর জাতির মন জয় করতে চেয়েছিলেন (২:১৪৪)।
প্রমাণ:
ঈশ্বরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক দিকের প্রয়োজন নেই। এই পরিবর্তন ইহুদিদের থেকে আলাদা হওয়ার এবং আরব ঐতিহ্যকে আলিঙ্গন করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে।
কোরআন (৪:১৫৭) যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়া অস্বীকার করে, অথচ বাইবেল বহির্ভূত ঐতিহাসিক তথ্যও তা নিশ্চিত করে।
প্রমাণ:
টাসিটাস (রোমান ঐতিহাসিক) এবং জোসেফাস (ইহুদি ঐতিহাসিক) যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার বিবরণ দিয়েছেন। ইসলামের এই অস্বীকার কেবল ধর্মীয় বিষয় নয়, এটি প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক সত্যের অবমাননা।
কোরআন মনে করে খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করে যে ঈশ্বরের কোনো জৈবিক (যৌন) পুত্ৰ আছে।
প্রমাণ:
খ্রিস্টধর্ম কখনোই ঈশ্বরের যৌন সম্পর্কের কথা শেখায় না। "ঈশ্বরের পুত্র" হলো তাঁর সত্তার একত্ব এবং তাঁর অটল আনুগত্যের এক আধ্যাত্মিক নাম। কোরআন এমন এক বিষয়ের ওপর আক্রমণ করছে যা খ্রিস্টানরা বিশ্বাসই করে না।
ইসলাম অন্যের দ্বারা পাপের প্রায়শ্চিত্ত করাকে অস্বীকার করে (৬:১৬৪), অথচ কুরবানির ঐতিহ্য বিপরীতটিই ইঙ্গিত দেয়।
প্রমাণ:
ঈদুল আযহায় পশু কুরবানির ঐতিহ্য মনে করিয়ে দেয় যে ঈশ্বরের ন্যায়বিচার পাপের মূল্যের দাবি রাখে। যিশু হলেন সেই নিখুঁত কুরবানি যিনি আমাদের সমস্ত পাপের দেনা তাঁর রক্ত দিয়ে মিটিয়েছেন।
সূরা ৫:১১৬ ভুলবশত মনে করে ত্রিত্ববাদ হলো আল্লাহ, যিশু এবং মরিয়মের সমষ্টি।
প্রমাণ:
এটি খ্রিস্টান মতবাদ সম্পর্কে এক মারাত্মক ভুল ধারণা। মরিয়ম কখনোই ত্রিত্ববাদের অংশ ছিলেন না। কোরআনের লেখক আসলে যা আক্রমণ করছিলেন তা সম্পর্কেই তাঁর ধারণা পরিষ্কার ছিল না।
কোরআনে জান্নাতের বর্ণনা কি একজন পুরুষের শারীরিক লালসা এবং আকাঙ্ক্ষাকে ভিত্তি করে তৈরি?
যুক্তি:
কোরআন জান্নাতকে এমন এক স্থান হিসেবে বর্ণনা করে যেখানে "কোমল ডাগর চোখ বিশিষ্ট হুরগণ" (সূরী ৫৬:২২), মদ (যা নেশা সৃষ্টি করে না) এবং প্রচুর ফলমূল থাকবে। এই বস্তুগত এবং যৌনতাময় বর্ণনাগুলো একজন পবিত্র ও আধ্যাত্মিক ঈশ্বরের চেয়ে মরুভূমির প্রান্তরে বসবাসকারী একজন পুরুষের কল্পনাপ্রসূত বলেই বেশি মনে হয়।
কোরআন কি নামাযের বিস্তারিত নিয়মাবলী শিক্ষা দেয়?
যুক্তি:
কোরআন নামাযের আদেশ দিলেও কীভাবে নামায পড়তে হয় তার কোনো পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা এতে নেই। মুসলিমদের এই তথ্যের জন্য হাদিসের ওপর নির্ভর করতে হয়। যদি কোরআন "বিস্তারিত ব্যাখ্যা" (সূরা ৬:১১৪) সম্পন্ন কিতাব হয়ে থাকে, তবে ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের পদ্ধতি এতে অনুপস্থিত কেন?
কেন ঘুম অজু ভঙ্গ করে?
যুক্তি:
ইসলামি বিধান অনুযায়ী ঘুম অজু ভঙ্গ করে। ঘুমের ফলে মানুষের শারীরিক কোনো ময়লা তৈরি হয় না যা ধোয়ার প্রয়োজন। এটি প্রমাণ করে যে অজু কোনো পরিচ্ছন্নতামূলক কাজ নয় বরং এটি কেবল একটি ধর্মীয় আচার মাত্র।
হাদিস অনুযায়ী, কোনো নারী, গাধা বা কালো কুকুর সামনে দিয়ে গেলে নামায বাতিল হয়ে যায়।
যুক্তি:
সহিহ মুসলিমের (৫১০) এই হাদিসটি নারীদের গাধা এবং কুকুরের সমান স্তরে নামিয়ে আনে। এটি কি একজন দয়াময় ঈশ্বরের বাণী হতে পারে যিনি নারী ও পুরুষ উভয়কেই সমান মর্যাদায় সৃষ্টি করেছেন?
কালো পাথর (হাজরে আসওয়াদ) চুম্বন করা কি মূর্তিপূজার নামান্তর নয়?
যুক্তি:
হজের অনেক আচার-অনুষ্ঠান (কালো পাথর চুম্বন, সাতবার কাবা প্রদক্ষিণ, শয়তানকে পাথর মারা) ইসলাম পূর্ব মক্কার পৌত্তলিকদের আচারের সাথে হুবহু মিলে যায়। মুহাম্মদ কেবল এই পৌত্তলিক আচারগুলোর নাম পরিবর্তন করে ইসলামে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।
কোরআন কি সাতটি আকাশ এবং সাতটি পৃথিবীর অস্তিত্বের কথা বলে?
যুক্তি:
সূরা ৬৫:১২ সাতটি আকাশ এবং ওরকমই সাতটি পৃথিবীর কথা বলে। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং ভূ-তত্ত্বের কোনো তথ্যের সাথে এই "সাত" সংখ্যাটির কোনো বৈজ্ঞানিক মিল নেই। এটি প্রাচীন গ্রীক ও মেসোপটেমীয় মহাজাগতিক চিন্তাধারার অংশ মাত্র।
সূরা ২৫:৫৩ বলে যে নোনা জল এবং মিষ্টি জল কখনো একে অপরের সাথে মেশে না।
যুক্তি:
বাস্তবে মহাসাগরীয় জল এবং নদীর মিষ্টি জল মোহনায় এসে পুরোপুরি মিশে যায়। ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে মেশার গতি কিছুটা ধীর হলেও তা কখনোই মিশবে না - এটি একটি বৈজ্ঞানিক ভুল।
কেন কোরআন পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে না বলে উল্টো সূর্যকে গতির আধার হিসেবে বর্ণনা করে?
যুক্তি:
সূরা ৩৬:৩৮-৪০ এবং ২১:৩৩ সূর্যের কক্ষপথে চলার কথা বললেও কোথাও পৃথিবীর ঘূর্ণনের কথা উল্লেখ করেনি। এই বর্ণনাগুলো পৃথিবী-কেন্দ্রিক (Geocentric) ধারণার ফসল, যা বর্তমানে বৈজ্ঞানিকভাবে পরিত্যক্ত।
কোরআন বলে যে হাড় আগে তৈরি হয় এবং তারপর তা মাংস দিয়ে ঢাকা হয়।
যুক্তি:
সূরা ২৩:১৪-এ বলা হয়েছে যে আল্লাহ নুফতাহ থেকে আলাকাহ, এরপর গোশত এরপর হাড় এবং এরপর হাড়কে গোশত দিয়ে ঢাকেন। ভ্রূণবিদ্যার সঠিক তথ্য হলো হাড় এবং মাংস প্রায় একই সাথে একই টিস্যু থেকে তৈরি হয়।
কোরআন বলে মানুষ হৃদয় (কলব) দিয়ে চিন্তা করে (সূরা ২২:৪৬)।
যুক্তি:
আমরা এখন জানি যে চিন্তা এবং অনুভবের কাজ হয় মস্তিষ্কে, হৃৎপিণ্ডে নয়। হৃৎপিণ্ড কেবল রক্ত পাম্প করার একটি অঙ্গ। কোরআন এই সাধারণ শারীরস্থানিক সত্যটি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিষক্রিয়ায় মুহাম্মদের মৃত্যু।
যুক্তি:
মুহাম্মদ খায়বারের যুদ্ধে বিষ মিশ্রিত মাংস খেয়েছিলেন এবং প্রায় তিন বছর ভুগে সেই বিষের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন। এটি সূরা ৬৯:৪৪-৪৬ এর সাথে মিলে যায় যেখানে বলা হয়েছে যে মিথ্যা নবী হলে আল্লাহ তাঁর ঘাড়ের রগ (Aorta) কেটে দেবেন। মৃত্যুশয্যায় মুহাম্মদ বলেছিলেন তিনি অনুভব করছেন যে তাঁর ঘাড়ের রগ ছিঁড়ে যাচ্ছে (বুখারি ৪৪২৮)।
আল্লাহ কি কেবল তাদেরই ভালোবাসেন যারা তাঁকে ভয় পায়?
যুক্তি:
কোরআন বারবার বলে যে আল্লাহ পাপীদের, অবিশ্বাসীদের বা সীমা লঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না (সূরা ২:১৯০, ৩:৩২)। অন্যদিকে, বাইবেল বলে: "ঈশ্বর আমাদের প্রতি তাঁর প্রেম প্রদর্শন করছেন, কারণ আমরা যখন পাপী ছিলাম, তখনই খ্রিস্ট আমাদের জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন" (রোমীয় ৫:৮)।
মুহাম্মদ বলেছিলেন যে তিনি জাহান্নামের দিকে তাকিয়ে অধিকাংশ নারী দেখতে পেয়েছেন।
যুক্তি:
সহিহ বুখারি ১০৫২ অনুযায়ী, মুহাম্মদ নারীদের অভিশাপ দেওয়া এবং স্বামীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ হওয়ার জন্য জাহান্নামের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী বলেছেন। এটি কি কোনো ইনসাফকারী স্রষ্টার কথা হতে পারে?
মুহাম্মদ দাবি করেছিলেন যে নারীদের বুদ্ধি কম (বুখারি ৩০৪)।
যুক্তি:
এই হাদিসে নারীদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং ধর্মীয় দিক থেকে পুরুষদের তুলনায় ত্রুটিপূর্ণ বলা হয়েছে কারণ তারা নামায কাজা করে এবং তাদের সাক্ষ্য অর্ধেক। আধুনিক বিশ্ব প্রমাণ করেছে যে বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে নারী ও পুরুষ সমান।
মুহাম্মদ মনে করতেন বিড়াল অপবিত্র নয় কারণ তারা আমাদের চারপাশেই থাকে।
যুক্তি:
যেখানে কালো কুকুরকে শয়তান বলে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিড়ালের প্রতি এই বিশেষ পক্ষপাতিত্ব বৈজ্ঞানিক নয় বরং ব্যক্তিগত পছন্দের বহিঃপ্রকাশ।
হাদিস অনুযায়ী শয়তান মানুষের নাকের বাঁশিতে (রন্ধ্রে) রাত কাটায় (বুখারি ৩২৯৫)।
যুক্তি:
এটি একটি কুসংস্কার যা কোনো আধ্যাত্মিক সত্যের পরিপন্থী। নাকের ছিদ্র ঘুমের সময় শয়তানের আবাসস্থল হওয়া একটি অবাস্তব ও কুরুচিপূর্ণ কল্পনা।
মুহাম্মদ বলেছিলেন হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে আসে (বুখারি ৬২২৬)।
যুক্তি:
হাই তোলা একটি সম্পূর্ণ জৈবিক প্রক্রিয়া যা শরীরে অক্সিজেনের অভাব মেটাতে প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করে। একে শয়তানের কাজ বলা হাস্যকর।
হাদিস অনুযায়ী গাধা যখন ডাকে তখন সে শয়তানকে দেখতে পায় (বুখারি ৩৩০৩)।
যুক্তি:
গাধা যোগাযোগ করার জন্য ডাকে, শয়তান দেখার জন্য নয়। এটি মরু অঞ্চলের একটি প্রাচীন লোকগাথা মাত্র।
একইভাবে মোরগ যখন ডাকে তখন সে ফেরেশতাকে দেখে।
যুক্তি:
মোরগের ডাক একটি প্রাকৃতিক প্রবৃত্তি যা আলোর প্রতিক্রিয়ায় ঘটে। ফেরেশতা দেখার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
কোরআন যিশুকে সম্মান দিলেও তাঁর ঈশ্বরত্ব অস্বীকার করে।
যুক্তি:
যিশু মৃতদের জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন, অন্ধদের চোখ দিয়েছেন এবং পাপে পূর্ণ জগৎকে উদ্ধার করতে নিজের জীবন দিয়েছেন। কেবল একজন "নবী" কখনোই তা করতে পারেন না। যিশু নিজেই বলেছিলেন: "আমিই পথ, আমিই সত্য এবং আমিই জীবন" (যোহন ১৪:৬)।
জিহাদ কি আত্মরক্ষা নাকি আগ্রাসন?
যুক্তি:
মদিনায় মুহাম্মদের শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে যুদ্ধের আয়াতগুলো ক্রমান্বয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। সূরা ৯-এর "তরবারির আয়াত" (৯:৫) আগের সব শান্তির আয়াতকে বাতিল করে দেয়। এটি কি সত্যিই শান্তির ধর্মের লক্ষণ?
মুহাম্মদ সাফিয়াকে খায়বারের যুদ্ধে বন্দি করেন এবং একই দিনে তাঁর স্বামী ও বাবাকে হত্যা করার পর তাঁকে বিয়ে করেন।
যুক্তি:
পরিবারের সদস্যদের হত্যার পরপরই কোনো নারীকে বিয়ে করা মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। এটি কি একজন "বিশ্বজগতের রহমত"-এর কাজ হতে পারে?
সূরা ৯:২৮ মূর্তিপূজকদের "নাজাস" বা অপবিত্র বলে অভিহিত করে।
যুক্তি:
মানুষকে তাদের বিশ্বাসের ভিত্তিতে "অপবিত্র" ঘোষণা করা ঘৃণার সংস্কৃতি তৈরি করে। বাইবেল শেখায় যে প্রত্যেক মানুষ ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে সৃষ্টি এবং সম্মানের যোগ্য।
জল না থাকলে মাটি দিয়ে শরীর ঘষা (অজু করা)।
যুক্তি:
মাটি দিয়ে হাত-মুখ ঘষা হাইজিনের কোনো উন্নতি করে না বরং আরও অনেক রোগ ছড়াতে পারে। এটি পরিচ্ছন্নতার চেয়ে অন্ধ আচারের এক চরম উদাহরণ।
কোরআন বলে যে আল্লাহর আরশ জলের ওপরে (সূরা ১১:৭)।
যুক্তি:
ঈশ্বর নিরাকার এবং সর্বব্যাপী। তাঁর বসার জন্য কোনো মহাজাগতিক আরশ বা চেয়ারের প্রয়োজন নেই। এই ভৌত বর্ণনাটি প্রাচীন রাজকীয় মহাজাগতিক চিন্তার প্রতিধ্বনি মাত্র।
আল্লাহর সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপন করা কি সম্ভব?
যুক্তি:
ইসলামে আল্লাহ একজন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দূরবর্তী বিচারক। খ্রিস্টধর্মে ঈশ্বর হলেন আমাদের "আব্বা" বা পিতা যার সাথে আমরা যিশুর মাধ্যমে ব্যক্তিগত এবং নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখতে পারি।
বিচার দিবসে মানুষের নেকি ও বদি পাল্লায় মাপা হবে।
যুক্তি:
ঈশ্বরের কাছে পাপ কোনো ভৌত বস্তু নয় যা ওজন করা হয়। একটি মাত্র ছোট পাপও ঈশ্বরের পবিত্রতার সামনে আমাদের অপবিত্র করে তোলে। নেকির ওজন দিয়ে পাপ মোচন করা ঈশ্বরের নিখুঁত ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। কেবল যিশুর রক্তই পাপ ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করতে পারে।
জাহান্নামে একটি গাছ থাকবে যা আগুনের মধ্যে বাড়বে এবং এর ফল হবে শয়তানের মাথার মতো।
যুক্তি:
আগুনের মধ্যে গাছ জন্মানো একটি রূপক কাহিনী হিসেবে ভালো মনে হতে পারে, কিন্তু এটি কোনো বাস্তব আধ্যাত্মিক চিত্র নয়। এটি ভয়ের মাধ্যমে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার অপচেষ্টা মাত্র।
মদিনার সনদ কি সত্যিই সাম্যের দলিল ছিল?
যুক্তি:
প্রথম দিকে সাম্যের কথা বললেও মুহাম্মদ যখনই শক্তিশালী হয়েছেন তখনই তিনি ইহুদি গোত্রগুলোকে (বনু কাইনুকাহ, বনু নাযীর, বনু কুরাইজা) উচ্ছেদ বা হত্যা করেছেন। এটি দেখায় যে অঙ্গীকারগুলো কেবল মক্কার দুর্বল পরিস্থিতির সময়ের জন্য ছিল।
মৃত্যুশয্যায় মহাম্মদ ইহুদি ও খ্রিস্টানদের অভিশাপ দিচ্ছিলেন (বুখারি ৪৩৫)।
যুক্তি:
যিশু যখন ক্রুশে ছিলেন, তখন তিনি তাঁর হত্যাকারীদের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন: "পিতা, এদের ক্ষমা করো কারণ এরা জানে না এরা কী করছে" (লূক ২৩:৩৪)। মুহাম্মদের শেষ কাজ ছিল ঘৃণা প্রকাশ করা, আর যিশুর শেষ কাজ ছিল ভালোবাসা প্রকাশ করা।
মুহাম্মদ কি দরিদ্র ছিলেন না কি তিনি যুদ্ধের গনীমত থেকে সম্পদশালী হয়েছিলেন?
যুক্তি:
হাদিস অনুযায়ী মুহাম্মদ জীবনের শেষ দিকে যুদ্ধে প্রাপ্ত গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) গ্রহণ করার মাধ্যমে বেশ সম্পদশালী হয়েছিলেন। তাঁর অনেক দাস-দাসী এবং জমিজমা ছিল। এটি আধ্যাত্মিক নেতাদের ত্যাগী জীবনের প্রচলিত ধারণার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
কাবা কি সত্যিই ইব্রাহিম (আঃ) তৈরি করেছিলেন?
যুক্তি:
ঐতিহাসিকভাবে ইব্রাহিম (আঃ) মক্কায় আসার কোনো প্রত্নতাত্ত্বিক বা ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। প্রাক-ইসলামী যুগে কাবা ছিল ৩৬০টি মূর্তির একটি কেন্দ্র। মুহাম্মদ ইসলামের ভিত্তি স্থাপনের জন্য এই পৌত্তলিক কেন্দ্রটিকে ইহুদি-খ্রিস্টান ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত করেছিলেন বলে অনেকে মনে করেন।
যিশু কি ইসলাম প্রচার করতে ফিরে আসবেন?
যুক্তি:
ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী যিশু ফিরে এসে ক্রুশ ভাঙবেন এবং শুকর হত্যা করবেন। এটি বাইবেলের বর্ণনার পুরোপুরি বিপরীত যেখানে যিশু রাজা হিসেবে ফিরে আসবেন এবং দয়া ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন। যিশুর মতো পবিত্র সত্তাকে এমন ধ্বংসাত্মক কাজে নিয়োজিত করা অবমাননাকর।
হাদিসে আছে জাহান্নাম পূর্ণ করার জন্য আল্লাহ তাঁর পা জাহান্নামে রাখবেন (বুখারি ৪৮৪৮)।
যুক্তি:
ঈশ্বরকে এভাবে মানবীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে কল্পনা করা (Anthropomorphism) সুউচ্চ আধ্যাত্মিক ধারণার পরিপন্থী। ঈশ্বরকে কেন ভৌতভাবে কোনো কিছু পূর্ণ করার জন্য পা ব্যবহার করতে হবে?
মুসা (৭:১৪৩), মুহাম্মদ (৬:১৬৩) নাকি ইব্রাহিম; কে প্রথম মুসলিম ছিলেন তা নিয়ে কোরআনে ভিন্ন কথা আছে।
যুক্তি:
একই কিতাবের বিভিন্ন জায়গায় পৃথক ব্যক্তিদের "প্রথম মুসলিম" বলা হয়েছে। এটি কি ঐশ্বরিক বাণীর নির্ভুলতার পরিচায়ক?
কেন অবিবাহিত এবং বিবাহিতদের জন্য ব্যভিচারের শাস্তি ভিন্ন?
যুক্তি:
কোরআন ১০০ বেত্রাঘাতের কথা বললেও (২৪:২), হাদিস রজম বা পাথর মারার কথা বলে। এটি ইসলামি আইনের উৎসের মধ্যে এক বড় ধরনের ফাটল।
সূরা ৫:৫১ ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করে।
যুক্তি:
এই ধরনের ঘৃণা ও বিভাজনের বাণী একটি আধুনিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যিশু বলেছিলেন: "তোমাদের শত্রুদের ভালোবাসো" (মথি ৫:৪৪)।
কেন মুহাম্মদকে তাঁর বাড়িতেই দাফন করতে হয়েছিল?
যুক্তি:
মুহাম্মদের মৃত্যুর পর ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং উত্তাল পরিস্থিতির কারণে তাঁকে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে আয়শার ঘরেই দাফন করতে হয়। এটি তাঁর সাহাবীদের মধ্যে আদর্শিক ঐক্যের অভাবই প্রকাশ করে।
কবরের আজাব কি কোনো সত্য বিষয় নাকি স্রেফ একটি ভয় দেখানোর অস্ত্র?
যুক্তি:
কবরের আজাব বা কবরে ফেরেশতাদের জেরার কাহিনীগুলো কোরআনে সরাসরি নেই, কেবল হাদিসে আছে। মৃতদেহের জৈবিক ধ্বংসের পর অবস্তুনিষ্ঠ কোনো আজাব কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন ওঠে।
দাজ্জাল সম্পর্কে হাদিসে বর্ণিত বিবরণগুলো কি রূপকথা নয়?
যুক্তি:
এক চোখ কানা দাজ্জাল, গাধার পিঠে চড়ে ভ্রমণ - এই বর্ণনাগুলো বাস্তবসম্মত কোনো বিপদের চেয়ে প্রাচীন মহাকাব্যের দানবীয় চরিত্রের বর্ণনার মতো বেশি মনে হয়।
যদি যিশু ক্রুশে না মারা গিয়ে থাকেন, তবে পুরো খ্রিস্টধর্ম কি একটি প্রতারণা?
যুক্তি:
যদি ইসলাম সত্য হয়, তবে আল্লাহই স্বয়ং খ্রিস্টধর্ম সৃষ্টির জন্য দায়ী কারণ তিনি দৃশ্যপট এমনভাবে সাজিয়েছিলেন যাতে সবাই মনে করে যিশু ক্রুশবিদ্ধ হয়েছেন এবং পুনরুত্থিত হয়েছেন। এটি "নূরের ঈশ্বর"-এর স্বভাবের সাথে এক বড় বৈপরীত্য।
মন্দ কাজের জন্য কি আল্লাহ দায়ী?
যুক্তি:
কোরআন বলে যে ভালো-মন্দ সব আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়। যদি আল্লাহই মন্দ নির্ধারণ করেন, তবে মানুষকে বিচারের সম্মুখীন করা কি অন্যায় নয়?
জিজিয়া কর দেওয়ার সময় অমুসলিমদের কি অপদস্থ হওয়া বাধ্যতামূলক?
যুক্তি:
সূরা ৯:২৯ অনুযায়ী অমুসলিমদের "ছোট হয়ে" বা অপদস্থ হয়ে কর দিতে হবে। এটি মানবাধিকার এবং মানুষের আত্মমর্যাদার এক চরম লঙ্ঘন।
মুহাম্মদ কি জাদু দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভুল ওহী পাঠ করতে পারতেন?
যুক্তি:
যেহেতু তিনি নিজেই জাদুগ্ৰস্ত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন (বুখারি ৫৭৬৩), সেহেতু তাঁর মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার ওপর আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
কেন কেবল জিকিরের মাধ্যমেই শান্তি পাওয়া যাবে বলা হয়?
যুক্তি:
বারবার মন্ত্রের মতো নাম জপ করা বৌদ্ধ বা হিন্দু তান্ত্রিক আচারের মতো মনে হয়। সত্য শান্তি আসে সরাসরি ঈশ্বরের সাথে সম্পর্কের মাধ্যমে, কেবল শব্দের পুনরাবৃত্তিতে নয়।
যদি কোরআন বিশুদ্ধ আরবি হয় (১৬:১০৩), তবে এতে কেন হিব্রু, আরামাইক এবং গ্রীক শব্দ আছে?
যুক্তি:
ফেরদাউস, শিরত, ইবলিস - এই শব্দগুলো অন্য ভাষা থেকে এসেছে। এটি প্রমাণ করে যে কোরআন সরাসরি আকাশ থেকে পড়েনি বরং এটি সমকালীন ভাষার মিশ্রণে তৈরি।
কোরআন কেন চাঁদ ও সূর্যকে একে অপরের পিছু নেওয়া হিসেবে বর্ণনা করে (৯১:১-২)?
যুক্তি:
চাঁদ ও সূর্য আলাদা কক্ষপথে চলে এবং তারা একে অপরকে অনুসরণ করে না। এটি একটি স্পষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত ভুল।
ইসলামের তাওহীদ কি ঈশ্বরকে অত্যন্ত একাকী এবং প্রেমহীন করে তোলে না?
যুক্তি:
ত্রিত্ববাদের মাধ্যমে ঈশ্বর সৃষ্টির আগে থেকেই প্রেমময় ছিলেন কারণ পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মা পরস্পরকে ভালোবাসতেন। ইসলামের ঈশ্বর সৃষ্টির আগে কাকে ভালোবাসতেন? ভালোবাসা কেবল একা থাকা অবস্থায় সম্ভব নয়।
কেন মুহাম্মদ তাঁর উত্তরসূরি বা খলিফা মনোনীত করে যাননি?
যুক্তি:
উত্তরসূরি নিয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না রেখে যাওয়ায় ইসলামের ইতিহাসে যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ (শিয়া-সুন্নি বিভাজন) শুরু হয়েছিল, তার দায়ভার মুহাম্মদের ওপরই বর্তায়।
হাদিস অনুযায়ী জান্নাতে একটি বাজার থাকবে যেখানে প্রতি শুক্রবারে মানুষ যাবে এবং তাদের সৌন্দর্য বাড়বে (মুসলিম ২৮৩৩)।
যুক্তি:
আধ্যাত্মিক জীবনের এই বাজারজাতকরণ এবং সৌন্দর্যের প্রতি এই পার্থিব মোহ জান্নাতের এক অসার ও হালকা চিত্রই তুলে ধরে।
হাদিস অনুযায়ী মানুষ বিচার দিবসে উলঙ্গ এবং খাতনা বিহীন অবস্থায় উঠবে।
যুক্তি:
ঈশ্বরের সামনে মানুষের এই অসহায় এবং লজ্জাকর উপস্থাপনা কি সত্যিই আধ্যাত্মিক কোনো গুরুত্ব বহন করে?
চুল হতে সরু এবং তরবারি হতে ধারালো সেতুর ওপর দিয়ে যাওয়ার ধারণাটি কোথা থেকে এল?
যুক্তি:
এই ধারণাটি সরাসরি প্রাচীন পারস্যের জরথুষ্ট্রীয় ধর্মের (Chinvat Bridge) বিশ্বাস থেকে ধার করা হয়েছে। এটি কোনো মৌলিক ঐশ্বরিক ওহী নয়।
মুহাম্মদ কি পাপীদের জন্য সুপারিশ করতে পারবেন?
যুক্তি:
কোরআনের কিছু আয়াত সুপারিশ অস্বীকার করে, আবার কিছু আয়াত আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে অনুমোদন দেয়। মুহাম্মদ নিজে তাঁর সাহাবীদের বলেছিলেন তিনি নিজের মেয়েরও কোনো কাজে আসতে পারবেন না (বুখারি ২৭৭১)। সুপারিশের এই অনিশ্চয়তা মুসলিমদের সবসময় এক ভয়ের মধ্যে রাখে।
ইসলাম কি সত্যিই সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
যুক্তি:
এত সব যৌক্তিক, ঐতিহাসিক এবং বৈজ্ঞানিক ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও কেবল অন্ধ বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে একটি জীবন ব্যবস্থা পরিচালনা করা কি বুদ্ধিমানের কাজ? প্রশ্ন করুন, অনুসন্ধান করুন এবং সত্যকে জানুন। যিশু বলেছেন: "তোমরা সত্য জানবে এবং সত্যই তোমাদের স্বাধীন করবে" (যোহন ৮:৩২)।